
শিক্ষার্থী ডায়েরী (স্পেশাল বিষয় ভিত্তিক)
(বিশেষ হেদায়েত)
* যে প্রতিষ্ঠানে নিয়ম কানুন আপনার পছন্দ হয়, সে প্রতিষ্ঠানে আপনার সন্তানকে ভর্তি করিয়ে সে নিয়মকানুন অনুযায়ী আপনার সন্তানকে পরিচালিত করুন।
* বাস্তবে যে প্রতিষ্ঠান আপনার সন্তানের পড়াশোনার প্রতি বিশেষ নজর রাখবে এবং মানসম্মত পরিবেশ ও চতুর্মুখী (ইসলামী শিক্ষা এবং জেনারেল শিক্ষার সমন্বয়ে) শিক্ষা সমন্বয় সাজানো ও গোছানো সিলেবাস পাবেন, সে প্রতিষ্ঠানটি নির্বাচন করে আপনার সন্তানকে ওখানেই ভর্তি করুন।
‘‘সাবধান, টাকা বাঁচাতে গিয়ে কখনও হীনমানের প্রতিষ্ঠানে আপনার সন্তানকে ভর্তি করাবেন না। নিম্নমানের প্রসাধনী ব্যবহার করলে ভালোর চেয়ে খারাপের দিকটা যেভাবে বেশি হয়ে থাকে, ঠিক তদ্রূপ বাচ্চাদের লেখাপড়ার বেলায়ও টাকা বাঁচাতে গিয়ে নিম্নমানের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করালে ক্ষতির সংখ্যাটাই বেশি হবে। এটাই স্বাভাবিক। সুতরাং দয়া করে কখন ও নিজ সন্তানের বেলায় নিম্নমানের প্রতিষ্ঠান এবং শ্রেণী/ক্লাস হিসাব না করে মানসম্মত প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করিয়ে ভালো মানের শিক্ষা দিয়ে সুসন্তান হিসেবে গড়ে তুলুন। নিজ সন্তানের পিছনে সঠিকভাবে অর্থ,
শ্রম ও সময় ব্যয় করতে পারলেই বোঝার পরিবর্তে নিজের এবং দেশের সম্পদ হয়ে উঠবে।’’
মনে রাখবেন : আপনার সন্তানরাই আপনার উভয় কালের ভবিষ্যৎ।
* ভর্তি কৃত প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত নিয়ম-কানুন মেনে চলুন এবং নির্ধারিত সময়ের ভিতর প্রাতিষ্ঠানিক পাওনাদি সব সময় পরিশোধ করুন।
* প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষকদের সাথে ভালো ব্যবহারের মাধ্যমে আপনার সন্তানের পড়াশোনা নিয়ে সবসময় যোগাযোগ রাখুন।
ঘটনাক্রমে শিক্ষকের সাথে কোন প্রকার মনোমালিন্য হয়ে গেলে তা হাসিখুশি ভাবে সমাধা করে নিন। সবার সংসারে যেভাবে মাঝেমধ্যে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ছোটখাটো বিষয় নিয়ে একটু-আধটু মনোমালিন্য হয়ে যায় বা হয়ে থাকে, আবার তার সমাধাও হয়ে যায়। তদ্রুপ আপনার সন্তান যেখানে ভর্তি করাবেন, মনে রাখবেন শেখানো একটু-আধটু মাঝেমধ্যে মনোমালিন্য হতে পারে। ছোটখাটো মনোমালিন্যের কারণে যেভাবে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিচ্ছেদ হয় না, তদ্রুপ প্রতিষ্ঠানের ছোটখাটো বিষয় নিয়ে রাগ করে কমপক্ষে হলেও ৫ম শ্রেণির পূর্বে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে আপনার সন্তানকে দূরে সরাবেন না বা নিয়ে যাবেন না। কারণ, প্রতিটা বাচ্চা ভর্তির পর প্রতিষ্ঠানে সিটিং হতে
১ বৎসর সময় লেগে যাওয়ার পর পড়াশুনায় একটা স্তরে পৌঁছতেও ৩-৫ বৎসর সময় লেগে যায়। এমতাবস্থায় যদি আপনার সন্তানকে বারবার প্রতিষ্ঠান পালটাপালটি করান, তাহলে মনে রাখবেন ৯০% ক্ষতিটা আপনার এবং আপনার সন্তানেরই হবে। সুতরাং সেদিকে বিবেচনা করে একই প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে হলেও ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত দয়া করে পড়াশোনা করাবেন। আপনার সন্তানের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য কথাগুলো মনে রাখবেন। আল্লাহ আপনার এবং আপনার সন্তানদের সুখ, শান্তিতে এবং হেফাজতে রাখুক।
আমিন।
150.00৳
আপনার পছন্দের আরও বই