নতুন ঠিকানায় স্বাগতম! পাঠকের জন্য আমাদের প্রথম উপহার: প্রথম অর্ডারে ডেলিভারি চার্জ একদম ফ্রি! ফ্রি শিপিং পেতে ব্যবহার করুন কুপন! কোড: Nafaah26 
Sale!

বিয়ের এপিঠ ওপিঠ ও ভালোবাসা কারে কয় (২টি বই)

কভার : পেপার ব্যাক
সংস্করণ : 1st Published, 2024
ভাষা : বাংলা

বিয়ের এপিঠ ওপিঠ:

বিয়ের সাথে অনেক স্বপ্ন জড়িয়ে আছে। নামটা শুনলেই মনে একটা উদ্দীপনা আসে। চোখে ভাসে এক রঙিন সংসারের দৃশ্য। যেখানে শুধু সুখ আর সুখ, ভালোবাসারা আর ভালোবাসা। চারিদিকে ছড়ানো শুধু লাভ ক্যান্ডি। হ্যাঁ, বিয়ের মাধ্যমে এসব অর্জন হয়। কিন্তু এটাই কি বিয়ের শেষকথা? এরপরে কি আর কোনো আখ্যান নেই? দায়িত্ব, কর্তব্য, জিম্মাদারি, পেরেশানি, মনোমালিন্য, অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি—এগুলো কি নেই? বিয়ের পূর্বে নানান ফ্যান্টাসি লালন করার কারণে, সংসার জীবনে এসে অনেকেই ভীষণ হোচট খায়। বিয়ের উল্টো পিঠ না-জানা থাকার ফলে বিপরীতধর্মী মানুষের সাথে মানিয়ে নিতে তার কষ্ট হয়। আবেগের মোহ কেটে যখন বাস্তবতা সামনে এসে দাঁড়ায়, তখন সে নিজেকে মনে করতে থাকে অস্ত্রহীন যোদ্ধার মতন। ধাক্কা খেতে খেতে অনেকেই হাল ছেড়ে দেয়। বাড়তে থাকে দাম্পত্য-কলহ, বিবাহ-বিচ্ছেদ। তাই বিয়ে সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখা সকলের ওপর জরুরি। সমস্ত ফ্যান্টাসি ঝেড়ে আমরা যদি সঠিক প্রস্তুতি নিতে পারি, তাহলে সংসারটা হয়ে উঠবে জান্নাতের একটি টুকরো। জীবনের তীব্র কষ্টের মূহূর্তগুলোও হয়ে উঠবে চরম প্রশান্তিকর। স্বামী-স্ত্রী-সন্তান-সন্ততি নিয়ে গড়ে উঠবে এক চোখ-জুড়ানো পরিবার। বইটিকে বলা যায় বিয়ে ও নারী-পুরুষের মনস্তত্ত্ব সম্পর্কে এক প্র্যাকটিক্যাল গাইডলাইন। এর প্রতিটি অধ্যায় আপনাকে দিবে বাস্তবতার সবক। সংসার জীবনে সঠিক পদক্ষেপ নিতেও উৎসাহ জাগাবে সমানতালে। বইটি যেমন অবিবাহিতদের জন্যে জরুরি, ঠিক তেমনি উপকারী বিবাহিতদের জন্যেও। অবিবাহিতরা যেমন বিয়ের আগেকার করণীয় দিক সম্পর্কে গাইডলাইন পাবেন, তেমনি বিবাহিতরা খুঁজে পাবেন সংসার-জীবনে ভারসাম্য আনার দারুণ সব সূত্র। এর বাইরে পশ্চিমা জীবনধারাকে ছুড়ে ফেলে ইসলামের কাছে আশ্রয় নেওয়ার তীব্র বাসনাও তৈরি হবে। ফ্যান্টাসি ঝেড়ে ফেলে আপনিও হয়ে উঠবেন দায়িত্ববান পুরুষ ও নারী।

ভালোবাসা (যিনা) কারে কয়:

প্রেম শব্দটা বড়ই ধোঁকাবাজিপূর্ণ। কারণ, আল্লাহর বিধান অনুসারে এটা প্রেম নয়। এটাকে ভালোবাসাও কয় না। এর আসল নাম হলো ‘যিনা’। হারাম রিলেশনশিপ আসলে যিনা-ব্যভিচারের অপর নাম। শয়তানের প্ররোচনায় আমরা মনে করে থাকি—শুধু ফিজিক্যাল রিলেশনে জড়ালেই বুঝি যিনা হয়। না, ভুল ধারণা। লজ্জাস্থানের ব্যবহার হলো যিনার সর্বোচ্চ পর্যায়। এর বাইরেও যিনার প্রকার রয়েছে। চোখ, কান, মুখ, হৃদয়—প্রতিটি অঙ্গের জন্যে রয়েছে আলাদা আলাদা বিধান।

নবি ﷺ বলেন, “দু-চোখের ব্যভিচার হলো (হারাম দিকে) তাকানো, দু-কানের ব্যভিচার হলো (অশ্লীল জিনিস) শোনা, জিহ্বার ব্যভিচার হলো (অশ্লীল) কথা বলা, হাতের ব্যভিচার হলো শক্ত করে ধরা, পায়ের ব্যভিচার হলো হেঁটে যাওয়া, হৃদয়ের ব্যভিচার হচ্ছে কামনা-বাসনা। আর লজ্জাস্থান তা সত্যায়িত বা মিথ্যা সাব্যস্ত করে।” [মুসলিম, ২৬৫৭]

Original price was: 345.00৳ .Current price is: 260.00৳ .

25%
ছাড়
- +

আপনার পছন্দের আরও বই

Scroll to Top