কষ্টি পাথরে নারীর সমমান
পুরুষের তুলনায় নারীজাতি দূর্বলতম।
তাই নারীদের কাঁধে জীবিকা নির্বাহ থেকে ইসলাম হেফাজত করেছেন। আর সেই জীবিকা উপার্জনের দায়িত্ব- পিতা, ভাই বা স্বামীর উপর উর্পিত করা হয়েছে। তবে, সেই উপার্জনের অর্জিত আয় থেকে, নারীদেরকে গ্রহণ করার অধিকার দিয়েছে ইসলাম।
কিন্তু অধিকার আর দায়িত্ব না বুঝে, যদি নারীজাতি সমঅধিকার পেতে এদিক সেদিক ছুটাছুটি করে, তাহলে তারা অধিক, অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে, দায়িত্ব পালনে দিশেহারা হতে বাধ্য। আর যদি বলা হয় যে, নারীদের প্রাপ্ত অধিকার পাওয়া উচিৎ। তাহলে, ইসলামের পথে হাটতে হবে। তবেই তাদের প্রাপ্য অধিকার পেতে বাধ্য।
যেমন- নারীর সম্পদ তার পিতা থেকে এক ভাইয়ের দু’এর এক অংশ পাচ্ছে। অন্যদিকে স্বামীর মোহর তো’এক পাচ্ছে’ই, তাতে আরো পাচ্ছে স্বামীর সম্পদের অংশও। সেইসাথে আরো পাচ্ছে মায়ের অংশ থেকেও। অথচ স্বামীরা কিন্তু তার স্ত্রীদের থেকে মোহরও নিচ্ছেনা এবং সম্পদ থেকেও না।
তাহলে নারী পুরুষ সমান অধিকার কথাটা ধোঁকার সমতুল্য নয় কি? …..।
তাহলে আসুন, নারী-পুরুষ সমান অধিকার ধোকার পার্থক্য নির্ণয় করি, গাজী আল ফরহাদের রচিত ‘কষ্টি পাথরে নারীর সমমান’ বইটি দিয়ে।
-ধন্যবাদ পাঠকদের।
220.00৳ Original price was: 220.00৳ .132.00৳ Current price is: 132.00৳ .
ছাড়
আপনার পছন্দের আরও বই
